ইংরেজি বর্ণমালা: অক্ষর ও ধ্বনি
ইংরেজি পড়া শুরু থেকে শিখুন: 26টি অক্ষর, প্রায় 44টি ধ্বনি, আর শব্দ লেখার মতো পড়া হয় না কেন।
ইংরেজি পড়া একটি অস্বস্তিকর ব্যাপার থেকে শুরু হয়: অক্ষর 26টি, আর ধ্বনি প্রায় 44টি। তার মানে একটি অক্ষরকে অনেক ধ্বনি বয়ে বেড়াতে হয়, আর কোন ধ্বনিটি তা শুধু পাশের অক্ষরগুলো থেকে বোঝা যায়। এটি বিশৃঙ্খলা নয়। এটি মুঠোভর্তি নিয়ম, আর সেগুলো সব ছয়টি ছোট নিবন্ধে ধরে যায়।
ইংরেজি অক্ষর-ভিত্তিক, বাংলার মতো অক্ষর-ভিত্তিক নয়
বাংলায় প্রতিটি ব্যঞ্জনের সঙ্গে একটি স্বর আগেই জুড়ে থাকে — ক মানে ক্ + অ, কোনো মাত্রা ছাড়াই। ইংরেজির Latin বর্ণমালা এমন কাজ করে না: প্রতিটি অক্ষর শুধু একটি ধ্বনি (বা ধ্বনির একটি দল) দেখায়, কোনো অন্তর্নিহিত স্বর নেই। একটি ব্যঞ্জন অক্ষর একা কোনো স্বর ছাড়া কিছু বলে না — c, t, n-কে নিজে নিজে বলা যায় না। তার মানে প্রতিটি স্বর আলাদা করে লিখতে হয়, আর সেই কারণেই ইংরেজি শব্দ বাংলা শব্দের চেয়ে লম্বা দেখায়, যদিও ধ্বনির সংখ্যা প্রায় সমান।
অক্ষরের নাম আর অক্ষরের ধ্বনি — দুটি আলাদা জিনিস
A অক্ষরকে [eɪ] বলা হয়। কিন্তু cat শব্দে এটি [æ], car-এ [ɑː], আর name-এ আবার [eɪ]।
অক্ষরের নাম তখন দরকার যখন আপনি কোনো শব্দকে অক্ষরে-অক্ষরে বলেন। শব্দের ভেতরে, ধ্বনি কাজ করে। এই দুটি জিনিস গুলিয়ে ফেলার কারণেই একজন নতুন শিক্ষার্থী name-কে "নেম"-এর মতো পড়ে ফেলে।
বর্ণমালা
| অক্ষর | নাম |
|---|---|
| A B C D E F G | [eɪ] [biː] [siː] [diː] [iː] [ef] [dʒiː] |
| H I J K L M N | [eɪtʃ] [aɪ] [dʒeɪ] [keɪ] [el] [em] [en] |
| O P Q R S T U | [əʊ] [piː] [kjuː] [ɑː] [es] [tiː] [juː] |
| V W X Y Z | [viː] [ˈdʌbljuː] [eks] [waɪ] [zed] |
শেষ অক্ষরটিকে আমেরিকায় [ziː] আর ব্রিটেনে [zed] বলা হয়। দুটোই সঠিক।
ছয়টি স্বরবর্ণ, বিশটি স্বর-ধ্বনি
স্বরবর্ণ হলো A, E, I, O, U আর কখনও কখনও Y। এগুলো ছয়টি, অথচ ইংরেজিতে স্বর-ধ্বনির সংখ্যা প্রায় বিশ। ইংরেজি পড়ার পুরো মুশকিল এখানেই।
ব্যঞ্জনবর্ণ অনেক বেশি স্থিতিশীল: b প্রায় সবসময় [b], m প্রায় সবসময় [m]। তাই পরের নিবন্ধে স্বর নিয়ে বেশি আর ব্যঞ্জন নিয়ে কম কথা হবে।
Transcription কিসের জন্য
Transcription চৌকো বন্ধনীতে লেখা হয়: cat [kæt]। একটি চিহ্ন — ঠিক একটি ধ্বনি, কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই। কোনো শব্দ কীভাবে লেখা হয় তার উপর ভরসা না করে, এটি কীভাবে শোনায় তা বোঝানোর একমাত্র উপায় এটি।
Colon স্বরের দৈর্ঘ্য দেখায়: [iː] লম্বা, [ɪ] ছোট। এটি সাজসজ্জা নয়: এই পার্থক্য শব্দের অর্থ বদলে দেয়।
| ছোট | লম্বা |
|---|---|
| ship [ʃɪp] — জাহাজ | sheep [ʃiːp] — ভেড়া |
| live [lɪv] — থাকা | leave [liːv] — ছেড়ে যাওয়া |
| full [fʊl] — ভরা | fool [fuːl] — বোকা |
| sit [sɪt] — বসা | seat [siːt] — আসন |
বাংলাতেও স্বরের দৈর্ঘ্য অর্থ বদলে দেয় — ই/ঈ, উ/ঊ-এর মতো — তাই এই ব্যাপারটি আপনার কাছে একদম নতুন নয়। শুধু মনে রাখুন ইংরেজির লম্বা-ছোট জোড়া বাংলার জোড়ার থেকে আলাদা জায়গায় পড়ে, তাই প্রতিটি জোড়া আলাদা করে শেখা দরকার।
যে ধ্বনিগুলো বাংলায় আছে
ইংরেজির কিছু ধ্বনি আপনার কাছে আগে থেকেই তৈরি — এটা জানা সময় বাঁচায়।
| ধ্বনি | উদাহরণ | বাংলায় সবচেয়ে কাছের |
|---|---|---|
| [t] | tea | বাংলার ট-এর কাছাকাছি, ত-এর নয় |
| [d] | day | বাংলার ড-এর কাছাকাছি, দ-এর নয় |
| [ŋ] | sing | "রং", "গঙ্গা"-র ং/ঙ |
| [r] | red | বাংলার র-এর চেয়ে হালকা, জিভ মোড়ে না |
যে ধ্বনিগুলো বাংলায় নেই
| ধ্বনি | উদাহরণ | কী গুরুত্বপূর্ণ |
|---|---|---|
| [θ] | think | জিভের ডগা দাঁতের মাঝে, আওয়াজ ছাড়া |
| [ð] | this | একই অবস্থান, কিন্তু আওয়াজসহ |
| [v] বনাম [w] | van বনাম wine | বাংলার ভ/ওয় দুটোকেই বয়ে বেড়ায়; ইংরেজি এগুলোকে দুটি আলাদা ধ্বনি মনে করে |
| [æ] | cat | আ আর এ-র মাঝে, বাংলায় সরাসরি প্রতিরূপ নেই |
[θ] আর [ð] — দুটোরই দরকার জিভের ডগা দাঁতের মাঝে রাখা, আর এমন কোনো ধ্বনি বাংলায় নেই। এগুলোকে "স" আর "জ" দিয়ে বদলানোর লোভ খুব বড় — কিন্তু think (ভাবা) আর sink (ডোবা) আলাদা শব্দ।
V আর w-এর ফাঁদও ঠিক ততটাই সাধারণ: বাংলার একটি ধ্বনি দুটোর জন্যই ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ইংরেজিতে vet (পশুচিকিৎসক) আর wet (ভেজা) আলাদা শব্দ। V-এর জন্য নিচের ঠোঁট উপরের দাঁত ছোঁয়; w-এর জন্য দুই ঠোঁট গোল হয়ে সামনে আসে, কোনো দাঁত জড়িত নয়।
শুরুর ব্যঞ্জন-দলের উপর একটি নোট
বাংলার দেশি শব্দ কোনো ব্যঞ্জন-দল দিয়ে শুরু হয় না — সেই কারণে school, station আর speak-এর মতো ইংরেজি শব্দ কানে অদ্ভুত লাগতে পারে, আর শুরুতেই একটি বাড়তি স্বর জুড়ে দেওয়ার লোভ হয় ("ইস্কুল")। ইংরেজিতে এই শুরুর দল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আর এটি কোনো স্বর ছাড়াই বলা হয় — এর অনুশীলন দরকার।
অক্ষর নয়, syllable পড়া হয়
এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা: কোনো ইংরেজি শব্দ পড়তে হলে আপনাকে একটি অক্ষরের উপর নয়, পুরো syllable-এর উপর নজর দিতে হবে — অর্থাৎ স্বর আর তার পরে যা আসে তার উপর।
তুলনা করুন: hat আর hate। অক্ষর a একই, কিন্তু ধ্বনি দুটি আলাদা, কারণ দ্বিতীয় শব্দে ব্যঞ্জনের পরে e চলে এসেছে। পড়া এটিই বদলে দেয়।
শব্দগুলো পুরো-পুরো মুখস্থ করার চেষ্টা করবেন না। প্রতিটি শব্দের বানান একটি ছবির মতো মনে রাখা বেশিরভাগ মানুষের মাথায় আসে, কিন্তু এটি একটি বন্ধ গলির দিকে নিয়ে যায়: শব্দ কয়েক হাজার, আর পড়ার নিয়ম মাত্র ছয়টি নিবন্ধে। নিয়ম ইংরেজির প্রায় 80% শব্দ কভার করে, বাকিগুলো একে একে মুখস্থ করতে হবে, কিন্তু সেগুলো বেশি নয়। নিয়ম দিয়ে শুরু করা আর পথে ব্যতিক্রম জমা করা সঠিক উপায়।
নিজে পরীক্ষা করুন
নিচের কুইজে অক্ষরের নাম, স্বরের দৈর্ঘ্য, আর সেই ধ্বনিগুলো আছে যা বাংলায় মেলে না।