ইংরেজি প্রত্যয় ও জোর: পড়ার নিয়ম
শব্দের শেষে -s, -ed, -ing, -tion ও -le কীভাবে পড়া হয়, আর জোরহীন স্বর কেন ঝাপসা [ə] ধ্বনিতে বদলে যায়।
সিলেবলের নিয়ম ছোট শব্দে কাজ করে। যতই প্রত্যয় বা দ্বিতীয় সিলেবল যুক্ত হয়, ততই আরেকটি স্তর চলে আসে: শব্দের শেষ অংশ নিজের নিয়মে পড়া হয়, আর জোরহীন স্বর তার ধ্বনি প্রায় পুরোটাই হারিয়ে ফেলে।
-s প্রত্যয়: পড়ার তিনটি উপায়
বহুবচনের প্রত্যয় আর তৃতীয় পুরুষের প্রত্যয় তিনটি ভিন্নভাবে পড়া হয় — আগে কোন ধ্বনি আছে তার উপর নির্ভর করে।
| ধ্বনি | কিসের পরে | উদাহরণ |
|---|---|---|
| [s] | অঘোষ ধ্বনির পরে: p, t, k, f | cats, books, maps, stops |
| [z] | ঘোষ ধ্বনি ও স্বরের পরে | dogs, boys, friends, plays |
| [ɪz] | s, z, sh, ch, x, ge অক্ষরের পরে | boxes, watches, dishes, pages |
এটি তালিকার মতো মুখস্থ করতে হবে না: dogs শব্দটি [s] দিয়ে বলার চেষ্টা করুন — আপনার জিভ নিজেই [z]-এর দিকে চলে যাবে। নিয়মটি সেটাই বর্ণনা করে যা বলা সহজ, মুখস্থ করা সহজ নয়।
-ed প্রত্যয়: আবার তিনটি
| ধ্বনি | কিসের পরে | উদাহরণ |
|---|---|---|
| [t] | অঘোষ ধ্বনির পরে | worked, stopped, watched, asked |
| [d] | ঘোষ ধ্বনি ও স্বরের পরে | played, lived, opened, called |
| [ɪd] | শুধু t ও d অক্ষরের পরে | wanted, needed, started, decided |
নতুন শিখছেন যাঁরা, তাঁদের সবচেয়ে বড় ভুল হল ed প্রত্যয়টিকে সর্বত্র আলাদা সিলেবলের মতো পড়া। worked এক সিলেবলের শব্দ: [wɜːkt], "ওয়ার্কেড" নয়। অতিরিক্ত সিলেবল শুধু t ও d অক্ষরের পরে তৈরি হয়।
-ing
সবসময় [ɪŋ] পড়া হয়: reading, going, working, morning। শেষে — sing শব্দের মতো [g] ছাড়া নাক দিয়ে বেরোনো [ŋ], অর্থাৎ বাংলার ঙ/অনুস্বার-যুক্ত ধ্বনি।
-tion ও -sion
| প্রত্যয় | ধ্বনি | উদাহরণ |
|---|---|---|
| -tion | [ʃn] | station, question, information |
| -sion | [ʒn] / [ʃn] | decision, television, discussion |
এমন শব্দে জোর সবসময় প্রত্যয়ের আগের সিলেবলে পড়ে: staˈtion, informaˈtion → [ˌɪnfəˈmeɪʃn]।
-le
ব্যঞ্জনের পরে শব্দের শেষে -le সবে শোনা যায় এমন ভঙ্গিতে [l] ধ্বনি দেয়: table [ˈteɪbl], little [ˈlɪtl], apple [ˈæpl], people [ˈpiːpl]।
এখানে e অক্ষরটি আবার উচ্চারণহীন, আর আবার রূপ-বদলকারী: table শব্দে প্রথম সিলেবলটি খোলা, তাই [eɪ]; little-এ দ্বৈত t সেটি বন্ধ করে দেয়, তাই [ɪ]।
শব্দের শেষে -y
- দুই সিলেবলের শব্দের শেষে — [i]: happy, city, sunny, family
- ছোট শব্দের শেষে — [aɪ]: my, by, try, fly
জোর ও [ə] ধ্বনি
ইংরেজি শব্দে শুধু একটি সিলেবলে জোর পড়ে, আর সেটি স্পষ্ট শোনা যায়। বাকি সব স্বর [ə] ধ্বনি পর্যন্ত দুর্বল হয়ে যায় — এটি একটি ছোট ও ঝাপসা ধ্বনি।
| শব্দ | Transcription | স্বরের কী হল |
|---|---|---|
| teacher | [ˈtiːtʃə] | দ্বিতীয় সিলেবলের e → [ə] |
| about | [əˈbaʊt] | প্রথম সিলেবলের a → [ə] |
| problem | [ˈprɒbləm] | e → [ə] |
| banana | [bəˈnɑːnə] | তিনটি a অক্ষরের মধ্যে দুটি → [ə] |
Transcription-এ ˈ চিহ্নটি জোরযুক্ত সিলেবলের আগে বসানো হয়। জোর ঠিক কোথায় পড়ে জানার এটাই একমাত্র উপায়: ইংরেজিতে জোর কোন সিলেবলে পড়বে তার প্রায় কোনো নিয়ম নেই।
প্রতিটি স্বরকে একই রকম স্পষ্ট করে পড়া কানের কাছে সবচেয়ে খটকা লাগানো ভুল। বাংলায় জোর ততটা নির্ণায়ক নয় আর স্বর এইভাবে দুর্বল হয় না, তাই ইংরেজির এই কাঠামো একেবারে নতুন লাগতে পারে। এর বাইরে, চোখ অক্ষর দেখে প্রতিটিকে স্পষ্ট বলতে বাধ্য করে — এজন্যই comfortable শব্দটি আড়াই সিলেবলের [ˈkʌmftəbl]-এর বদলে চারটি স্পষ্ট সিলেবলে বদলে যায়। জোরযুক্ত সিলেবলটি খুঁজে নিন, বাকিগুলো ধীরে বলা ঠিক — স্থানীয় বক্তার কানে ঠিক সেভাবেই শোনা যায়।
নিজে যাচাই করুন
নিচের কুইজে -s ও -ed প্রত্যয়ের তিনটি পড়ার উপায়, শব্দের শেষ, আর জোরের জায়গা রয়েছে।